1. live@www.pratidinbangladeshbarta.online : - : - -
  2. info@www.pratidinbangladeshbarta.online : প্রতিদিন বাংলাদেশ বার্তা :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন

পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন ১১ নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কের

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে



স্টাফ রিপোর্টার:-মোঃ কাওসার আহম্মেদ (জয়)
আউলিয়াপুর অফিসের হাটের ব্রিজ থেকে উত্তর বাদুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাছুয়াখালী থেকে দক্ষিণ বাদুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্যাদা বাড়ির সামনে দিয়ে বাদুরা বাজার ও মাছুয়াখালী থেকে বাদুরা বাজার ও অফিসের হাট থেকে শরিফ বাড়ি ও মুচিরপুল থেকে বাদুরা বাজার পর্যন্ত রাস্তার বর্তমান অবস্থা সত্যিই অত্যন্ত ভয়াবহ। প্রতিদিন এই পথে চলাচল করা সাধারণ মানুষের জন্য এটি এখন এক বড় দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে।স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, কর্মজীবী মানুষ—সবাই এই ভাঙা রাস্তার কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। অথচ এই রাস্তা মানুষদের নিত্যদিনের জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সহৃদয়বান ব্যক্তিদের প্রতি বিনীত অনুরোধ—
দয়া করে দ্রুত এই রাস্তার সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
মানুষের কষ্ট একটু কমান, নিরাপদ চলাচলের পথ করে দিন।
একটু দৃষ্টি, একটুখানি উদ্যোগ—বদলে যেতে পারে হাজারো মানুষের কষ্টের গল্প। আউলিয়াপুর ইউনিয়ন এর সাধারণ জনগণের আাশা৷দৈনন্দিন জীবন যেন এক অনিশ্চয়তার নাম। বছরের পর বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ কয়টি রাস্তা পার হয়েই স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ প্রায় ৪০ হাজার পরিবারকে চলাচল করতে হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা পাড়ি দেওয়া যেন তাদের নিত্যদিনের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা রাস্তা এখন আর চলাচলের উপযোগী নেই। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমে থাকে ও কোথাও কোথাও বড় ফাঁক তৈরি হয়েছে। সামান্য অসাবধানতাই ঘটাতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাচ্ছে—যা অভিভাবকদের মনে সৃষ্টি করেছে তীব্র আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা।
শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, অসুস্থ রোগী—সবাই এই রাস্তায় ওপর নির্ভরশীল। জরুরি সময়ে রোগীদের হাসপাতালে নিতে গিয়ে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসা সেবা পেতে বিলম্ব হওয়ায় অনেক সময় বিপদের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সামান্য বৃষ্টি হলে পানির জমে থাকে, ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তবুও বিকল্প পথ না থাকায় বাধ্য হয়েই এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করছেন গ্রামবাসী
গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, এটি শুধু একটি রাস্তার সমস্যা নয়; এটি তাদের জীবন-জীবিকা, শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সরাসরি জড়িত একটি মৌলিক প্রয়োজন। বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত রাস্তাগুলো নির্মাণ করে তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করা হোক। তাদের প্রশ্ন—আর কতদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হবে?
এই রাস্তা যেন আজ শুধু মরন ফাদ, বরং অবহেলা আর প্রতীক্ষার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রামের মানুষ এখন অপেক্ষায়—কবে আসবে নিরাপদ পথের নিশ্চয়তা, কবে শেষ হবে এই অনিশ্চিত যাত্রা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট